বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতাল ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সকাল সোয়া ১০টার দিকে হাসপাতালের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে আগুন লাগার সময় সেখানে ৩৮ রোগী ভর্তি ছিল। আগুনে হাসপাতালের একটি এসি, একটি বিছানা, একটি কম্পিউটার, চিকিৎসকের কিছু বইসহ বেশ কিছু আসবাব পুড়ে গেছে।

এদিকে আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সবাই ছোটাছুটি শুরু করে। এদিকে তৃতীয় তলায় লাগা আগুনের ধোঁয়া চতুর্থ তলার সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে গেলে সেখানকার রোগী ও তাদের স্বজনেরা আতঙ্কিত হয়ে ওয়ার্ড ছেড়ে বাইরে চলে আসে।

৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর্ম বিভাগের এক রোগীর স্বজন লাভলু মিয়া বলেন, ‘আমার বাবা এ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আগুন লাগার সময় আমি ওয়ার্ডের বাইরে ছিলাম। আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে এসে দেখি, বাবা ওয়ার্ডে নেই। তবে পরে খুঁজে পেয়েছি।’

default-image

একই ওয়ার্ডের আরেক রোগীর স্বজন বলেন, সকাল সোয়া ১০টা দিকে হঠাৎ ওয়ার্ডের এক কোনায় আগুন ধরে ওঠে। তখন সবাই চিৎকার শুরু করে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে, সেটা বোঝা যায়নি।

রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নুরুন্নবী লাইজু প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের তৎপরতায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। তবে কিছু আসবাবসহ মালামাল পুড়ে গেছে।

হাসপাতালের পরিচালক রেজাউল করিম জানান, তৃতীয় তলায় বক্ষব্যাধি, লিভার, চর্মরোগ, মানসিক রোগসহ মোট সাতটি বিভাগ আছে। দুর্ঘটনার সময় ওই তলার রোগীদের নিরাপদে স্থানান্তর করা হয়েছিল। আগুন নিভে যাওয়ার পর রোগীদের পুনরায় ওয়ার্ডে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

রংপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, খবর পাওয়ার ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট নিয়ে দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছে। সেখানে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আগুনের সূত্রপাতের বিষয়ে জানতে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন