বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সখীপুরে এবার ১৫০ হেক্টর জমিতে লেবুর চাষ করা হয়েছে। উপজেলার শতাধিক ব্যক্তি বাণিজ্যিকভাবে লেবু চাষ করেছেন। উপজেলার গজারিয়া, কালিয়া, কাঁকড়াজান, বহুরিয়া, হাতীবান্ধা, যাদবপুর ও দাড়িয়াপুর ইউনিয়নে লেবু চাষ বেশি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তা বর্মণ প্রথম আলোকে বলেন, সখীপুরের মাটি লেবু, মাল্টা ও কমলা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। চাষিদের প্রশিক্ষণসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ফলে চাষিরা লেবু চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। এ উপজেলায় প্রায় সবাই সিডলেস সুগন্ধীজাতীয় লেবু চাষ করেছেন। ফলন বেশি হওয়ায় ও ভালো দাম পাওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে।

দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের প্রতিমা বংকী গ্রামের লেবুচাষি রানা হামিদ বলেন, তিনি সাড়ে চার একর জমিতে লেবু চাষ করেছেন। প্রতি একরে সাধারণত ৩০০-৩৫০টি চারা রোপণ করা হয়। খরচ পড়ে প্রতি একরে ৭০-৮০ হাজার টাকা। চারা রোপণের তিন বছর পর সাধারণত লেবু বিক্রি শুরু হয়। এবার রোজার শুরুতে প্রতি বস্তা লেবু (১২০ কেজি) পাইকারি বিক্রি হয়েছে ৬-৭ হাজার টাকা। খুচরা বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা কেজি। এপ্রিল মাসে লেবুর দাম খানিকটা কমে গেছে। এখন প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে পাঁচ-ছয় হাজার টাকা। খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি। রানা হামিদ আরও বলেন, তিনি গতবার ১০ লাখ টাকার লেবু বিক্রি করলেও এবার তিনি আট লাখ টাকার বেশি আয় করবেন। চলতি রমজানে তিনি তিন লাখ টাকার লেবু বিক্রি করেছেন।

সারা দেশে লেবুর ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে বলে জানান নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা লেবুর পাইকারি ক্রেতা জয়েন উদ্দিন। তিনি বলেন, সখীপুরের বিভিন্ন বাগান থেকে লেবু কিনে ট্রাকে করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠান। এবার লেবুর দাম ভালো থাকায় ব্যবসাও বেশ ভালো হচ্ছে।

প্রতিমা বংকী ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান বলেন, এবার লেবু চাষে ৫ লাখ টাকা লাভ করেছেন এ রকম চাষির সংখ্যা উপজেলায় কমপক্ষে ২৫ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন