বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার সকালে প্রদীপ কুমার চৌধুরী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বাড়ির পাশেই একটি পূজামণ্ডপ আছে। দুর্গাপূজা চলাকালে পূজা করতে আসা ব্যক্তিদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে গতকাল রাতে পূজা চলাকালে ১৬–১৭টি মোটরসাইকেল করে প্রায় ৪০ জন সন্ত্রাসী এসে তাঁকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলে। এ সময় বের হতে দেরি হওয়ায় তাঁর পরিবারের সাত–আটজন সদস্যকে মেরে আহত করা হয়। এর মধ্যে দুজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এদিকে হামলাকারীরা পূজার প্রসাদসামগ্রীও নষ্ট করে দেয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

প্রদীপ কুমার চৌধুরী জানান, গত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তখন তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি আর এলাকায় আসেননি। এবারের নির্বাচনেও তাঁর প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ আছে। এ কারণে পরিবার নিয়ে পূজা উদ্‌যাপন করতে গ্রামে আসেন তিনি।

পাহাড়তলী ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ রোকন উদ্দিন গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, একটি পূজা বাড়িতে হামলার ঘটনা তিনি শুনেছেন। ওই বাড়িতে প্রসাদ বিতরণের সময় মারামারি হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে পূজামণ্ডপে কোনো হামলা হয়নি। এসব তাঁদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল। এখানে রাজনৈতিক বা নির্বাচন ঘিরে কিছু ঘটেনি। তাঁর ইউনিয়নের ২৬টি মণ্ডপে সুন্দরভাবে পূজার অনুষ্ঠান চলছে বলে তিনি দাবি করেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারী বা হামলার শিকার কাউকে পায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে তাঁরা শুনেছেন পূজামণ্ডপ থেকে কিছুদূরের একটি বাড়িতে নিজের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আজ দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ বা মামলা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন