default-image

চট্টগ্রামের রাউজানে ঘরের জানালার গ্রিলে ঝুলেছিল ইরফাত আলম ইরা (১৮) নামের এক গৃহবধূর লাশ। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোমরপাড়া গ্রামের ইদ্রিস চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, তাঁরা ইরফাতকে জানালার গ্রিলে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মৃত উদ্ধার করেছেন। সেখান থেকে লাশ নামিয়ে তাঁরা বাড়ির উঠানে নিয়ে যান। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন। তবে নিহত গৃহবধূর বড় ভাই এমদাদুল আলমের দাবি, তাঁর বোনকে হত্যা করা হয়েছে। কিছুদিন আগে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের কথা ফোনে তাঁদের জানিয়েছিলেন ইরফাত। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

ইরফাত সংযুক্ত আরব আমিরাতপ্রবাসী আকিজুর রহমানের স্ত্রী। পুলিশ আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

নিহত গৃহবধূর স্বজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুই বছর আগে প্রবাসী আকিজুর রহমান তাঁর খালাতো বোন পার্শ্ববর্তী পাহাড়তলী ইউনিয়নের শেখপাড়া গ্রামের মৃত দেলোয়ার আলমের মেয়ে ইরফাতকে বিয়ে করেন। তবে এই বিয়েতে দুই পরিবারের মত ছিল না। পরবর্তী সময়েও তা অব্যাহত ছিল। এক বছর আগে সর্বশেষ দেশে আসেন ইরফাতের স্বামী আকিজুর।

কদলপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান তসলিম উদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, জানালার গ্রিলে গৃহবধূর লাশ ঝুলে থাকার ঘটনা আত্মহত্যা হতে পারে, তা বিশ্বাস করা কঠিন। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রাউজান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কায়ছার হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘লাশটি আমরা বাড়ির উঠানে পেয়েছি। উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন