বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

থানা–পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতারণা ও জালিয়াতি করে গ্রাহকের বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তোপখানা রোড এলাকা থেকে রাগীব আহসান ও তাঁর ভাই আবুল বাশার খানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ওই দিন বিকেলে পিরোজপুর সদর থানা–পুলিশ রাগীবের আরও দুই ভাই মাহমুদুল হাসান ও খাইরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। রাগীব গ্রেপ্তার হওয়ার পর হারুনার রশিদ বাদী হয়ে রাগীব ও তাঁর চার ভাইকে আসামি করে ৯৭ গ্রাহকের ১ কোটি ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৩৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্থানীয় থানায় মামলা করেন।

ওই মামলায় রাগীব ও তাঁর তিন ভাইকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিরোজপুর সদর থানার এসআই মনিরুল ইসলাম আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। ১৩ সেপ্টেম্বর পিরোজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

এদিকে হারুনার রশিদের মামলার পরদিন ১০ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার কুমারখালী গ্রামের হেমায়েত উদ্দিন ও শিকারপুর মহল্লার মো. আবদুল মালেক বাদী হয়ে রাগীব ও তাঁর ভাইদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেন। ১২ সেপ্টেম্বর মঠবাড়িয়া উপজেলার ছোটশৌলা গ্রামের আবুল হোসেন ও ১৩ সেপ্টেম্বর তুষখালী গ্রামের মনির হাওলাদার আরও দুটি মামলা করেন। এ নিয়ে রাগীব ও তাঁর ভাইদের বিরুদ্ধে পিরোজপুর সদর থানায় পাঁচটি মামলা করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা।

এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ওসি এ জেড এম মাসুদুজ্জামান বলেন, এক গ্রাহকের করা মামলায় রাগীব ও তাঁর তিন ভাইকে সাত দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ছাড়া পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পাঁচটি মামলাই সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন