বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত রোববার চরমোন্তাজ ইউপি নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার সময় নয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও আন্ডারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট ও গুলি ছোড়ে পুলিশ। পরে নয়ারচর কেন্দ্র থেকে আবদুল খালেক নামের একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

দুটি মামলা করেছেন নয়ারচর ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. আজমল হোসাইন। এতে ৮২ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি ৭০০ থেকে ৯০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। আর আন্ডারচর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মেহেদী হাসান রুমির করা মামলায় পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থী মজিবর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৬০০ থেকে ৭০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় হয়েছে। অপর মামলাটি করেছেন নিহত আবদুল খালেকের স্ত্রী ফাহিমা বেগম। স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ এনে অজ্ঞাতনামা আসামি করে তিনি মামলাটি করেন।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, স্থানীয় লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩৭টি গুলি ছোড়া হয়েছে। এর মধ্যে আন্ডারচরে ৩১টি ও নয়ারচরে ৬টি গুলি ছোড়া হয়। এসব ঘটনায় রাঙ্গাবালী থানায় চারটি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন