বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ মিয়ার স্ত্রী শেফালী আক্তার বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে শনিবার দিবাগত রাতে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা করেন। পুলিশ রোববার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজন হলেন বানিবহ গ্রামের মোর্শেদ ও সীমান্ত, ঘিমোড়া গ্রামের মনির মোল্লা, বার্থা গ্রামের ইসমাইল মুন্সী ও বৃচাত্রা গ্রামের জাকারিয়া। সোমবার বিকেলে তাঁদের রাজবাড়ী ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। বুধবার রিমান্ডের আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেককে দুই দিন করে রিমান্ড আদেশ দেন।

এ ঘটনায় হওয়া মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আবদুল লতিফ চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে দলীয় চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী ছিলেন। জনপ্রিয়তার কারণে তাঁকে মাঝেমধ্যেই হত্যার হুমকি দেওয়া হতো। তিনি নিরাপত্তার জন্য মেহেদী হাসানসহ কিছু লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে চলাফেরা করতেন।

১১ নভেম্বর রাত ১১টা ৫০ মিনিটে বানিবহ বাজার থেকে আবদুল লতিফ মোটরসাইকেলে মেহেদী হাসানের সঙ্গে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। তিনি রওনা দেওয়ার পর বিদ্যুৎ চলে যায়।
পথে মেহেদী হাসানকে নামিয়ে দেওয়ার পরই দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা সামনে থেকে আবদুল লতিফের ওপর দুটি গুলি চালায়। তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে এগোতে থাকলে পেছন থেকে আরও তিনটি গুলি করা হয়। এতে আবদুল লতিফ মাটিতে পড়ে গিয়ে চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।  বৃহস্পতিবার ভোররাত ৪টার দিকে মানিকগঞ্জের মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন