বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে দেখা যায়, শীলাদের বাড়িটি টিনের, মেঝে মাটির। ঘরের সামনে মাটির বারান্দার এক কোণে মোটা জাল দিয়ে ঘিরে রাখা খাঁচায় শীলার বাস। খাঁচার পাশেই রান্নাঘরে মা চন্দনা শীল কাজ করেন আর মেয়ের দেখভাল করেন।

শিশুটির মা চন্দনা শীল বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য মেয়েকে ভারতে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে জানতে পারি, সে প্রতিবন্ধী। মেয়ে নিজে নিজে কিছুই করতে পারে না। হাতে তেমন টাকাপয়সা নেই, মেয়েকে তাই এখন চিকিৎসা করাতে পারি না।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কাজী শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘শিশুটির পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল। আমি তাকে একটি ভাতার কার্ড করে দিয়েছি। এ ছাড়া যখন যে সহায়তা করা সম্ভব, তা করি। কিন্তু ভাতার পরিমাণ খুব বেশি না। শিশুটির চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন, যা আমার পক্ষে সম্ভব না।’

রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিকমতো হয়নি। এ বিষয়ে আমাদের নিউরো বিশেষজ্ঞের চিকিৎসাসেবা নিতে পারলে ভালো হতো। শিশুটি হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতি বা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে সহায়তা পেতে পারে। খাঁচায় মধ্যে থাকার বিষয়টি অমানবিক। সমাজসেবার অধীনে এ ধরনের শিশুদের থাকার ব্যবস্থা আছে, সেখানে রাখা যেতে পারে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন