বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাওসার আহমেদ বলেন, তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় কলেজের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার জন্য অবস্থান করছিলেন। এ সময় হঠাৎ ৮ থেকে ১০ জন তাঁর ওপর হামলা করে। হামলাকারীরা তাকে মারধর করতে করতে ভবনের নিচে নিয়ে আসে। এরপর কলেজের প্রধান ফকটের বাইরে নিয়েও তাঁকে মারধর করা হয়। এরপর হামলাকারীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যায়। হামলাকারীদের মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন ওরফে হৃদয় নামে তাঁর এক সহপাঠীকে শনাক্ত করতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।

একই কলেজের শিক্ষার্থী অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আমি কাওসারকে মারধর করি নাই। হামলা দেখতে পেয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেছি। এ সময় কাওসার আঘাত পেয়ে থাকতে পারে। হামলাকারীদের মধ্যে কলেজশিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা ছিল। তাঁদের মধ্যে সামি, নিরব ও তাজ নামের তিনজনকে আমি চিনি।’

হামলায় কাওসারের মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলে গেছে। খবর পেয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। পরবর্তী সময়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

রাজবাড়ী সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেজবাহ আহমেদ বলেন, হামলার খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই সময় হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো অভিযোগ দিলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আতিয়ার রহমান বলেন, ‘কলেজশিক্ষার্থীর ওপর হামলার খবর শুনে ছুটে গিয়েছি। তবে হামলাকারীরা তখন কেউ ছিল না। শুনেছি, হামলাকারীদের মধ্যে কলেজের শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা ছিল। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন