default-image

রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নে রাজবাড়ী-ভাঙ্গা রেলপথে ট্রেন ও মাটিবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া তিনটার দিকে এ সংঘর্ষ হয়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন ট্রাকের চালক পলাশ শেখ (৩০) ও সহকারী (হেলপার) মিলন সরদার। পলাশের বাড়ি রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের চর খানখানাপুর গ্রামে। তাঁর বাবার নাম ইউসুফ আলী শেখ। মিলনের বাবার নাম দুলাল সরদার। তিনি সরদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন

আহত ব্যক্তির নাম বাবলু মোল্লা (৫৫)। তিনি বসন্তপুর ইউনিয়নের বড় ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আনছের মোল্লা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে রাজবাড়ী হয়ে রাজশাহীতে প্রতিদিন একটি আন্তঃনগর ট্রেন মধুমতি যাতায়াত করে। ট্রেনটি বেলা সোয়া তিনটার দিকে বসন্তপুর স্টেশন বাজার এলাকা অতিক্রমের সময় কামাল মিয়ার ইটভাটার সামনে রেললাইন পার হচ্ছিল ইটভাটার মাটিবাহী ছোট ট্রাক। রেললাইনের মাঝখানে থাকা ট্রাকের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে ছিটকে এসে রেললাইনের পাশের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া পথচারী বাবলু মোল্লার ওপর পড়ে।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর পলাশ ও মিলন মারা যান।

রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ আলম বলেন, ট্রেনের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরে রাজবাড়ী থেকে ইঞ্জিন এনে ট্রেনটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

রাজবাড়ী রেলস্টেশনের মাস্টার শিমুল বিশ্বাস সন্ধ্যা সাতটায় প্রথম আলোকে বলেন, মধুমতি ট্রেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে বিকেলে পৌঁছায়। কিন্তু দুর্ঘটনার কারণে ট্রেনটি খুব ধীরে ধীরে আসায় এখনো রাজবাড়ী স্টেশনে পৌঁছায়নি।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন