default-image

রাজবাড়ীতে ধর্ষণের মামলায় ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শারমিন নিগার এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন আল আমিন ফকির (২৬), মোস্তফা ফকির ওরফে মোস্ত (২৭), আকাশ সরকার (২৬), ফজলুর রহমান (৩০), মো. সুজন (২৪) ও বাবু ব্যাপারী ওরফে কমান্ডার (৩৪)। আসামিদের মধ্যে মোস্তফা ফকির পলাতক।

ভুক্তভোগী কিশোরী একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। তার সঙ্গে সুজনের ঘনিষ্ঠতা হয়। সুজন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু সুজন আগে থেকেই বিবাহিত জানতে পেরে মেয়েটি সুজনকে এড়িয়ে যায়।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। তার সঙ্গে সুজনের বন্ধুত্ব ছিল। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা হয়। সুজন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু সুজন আগে থেকেই বিবাহিত জানতে পেরে মেয়েটি সুজনকে এড়িয়ে যায়। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি মায়ের সঙ্গে দেখা করানোর কথা বলে কিশোরীকে নিয়ে আসেন সুজন। কিন্তু বাড়িতে না নিয়ে কৌশলে শহরের ড্রাই আইস ফ্যাক্টরি এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। সেখানে কিশোরীকে রেখে সুজন পালিয়ে যান। এ সময় তাকে আল আমিন, মোস্তফা, আকাশ ও ফজলুর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরীটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওই দিনই সুজনকে ১ নম্বর আসামি করে বাকি ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা হয়। ঘটনার পর থেকেই মোস্তফা পলাতক।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) উমা সেন বলেন, রায়ের সময় একজন ব্যতীত অন্য সব আসামি উপস্থিত ছিলেন। পলাতক আসামি ছাড়া অন্য সব আসামির কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে হাজতবাসের সময় বাদ যাবে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন