বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পানি বাড়ার সময় নদীতে ভাঙন ছিল। তখন বেশ কিছু এলাকা নদীগর্ভে চলে যায়। এখন পানি কমার সময় আবার নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনের কারণে সপ্তাহখানেক আগে একটি সরকারি বিদ্যালয় পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। গতকালও অনেক গাছপালা নদীতে চলে গেছে। সরকার শতকোটি টাকা নদীশাসনে ব্যয় করলেও তাতে দৃশ্যমান কোনো উপকার হচ্ছে না নদীপাড়ের বাসিন্দাদের।

স্থানীয় বাসিন্দা নেহাল আহমেদ বলেন, পানি কমা শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়। গত শুক্রবার গোদার বাজারের প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গতকাল বিকেল পাঁচটার দিকে ভাঙন শুরু হয়। ইতিমধ্যে প্রায় ৩০০ মিটার এলাকা ভাঙনের কবলে পড়েছে। স্থানীয়রা বসতবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। সবার মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শহর রক্ষা বেড়িবাঁধ গুরুতর হুমকির মধ্যে রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবদুল আহাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম করা হচ্ছে না। এরপরও কেন ভাঙছে, তা বুঝতে পারছি না। ঝুঁকিপূর্ণ চার কিলোমিটার এলাকার মরফোলজিক্যাল স্টাডি করার জন্য ঢাকায় আবেদন পাঠানো হয়েছে। এটি ভাঙনের সঠিক কারণ বলতে পারবে। আমরা শিডিউল অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করছি। শুক্রবারের ভাঙন রক্ষায় বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন