‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘আমরা ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’, ‘শিক্ষার্থীদের ৯ দফা মানতে হবে’, ‘সারা দেশে হাফ পাস দিতে হতে দিতে হবে’—কর্মসূচিতে এমন নানা স্লোগান দেওয়া হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রদক্ষিণ করে শহরের পান্না চত্বরে অবস্থান নেন। এখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী কাউসার আহমেদ, রুদমিলা চৌধুরী, অরুন্ধতী রায়, হামি হামনে হাসান, শান্ত আহমেদ প্রমুখ। দাবি আদায়ের পক্ষে শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে থাকেন। বিভিন্ন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়।

সমাবেশ শেষে আবারও বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ডিসি অফিস মোড়ে পৌঁছানোর পর পুলিশের অনুরোধে সেখানে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন। এ সময় বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা করা হয়। মোটরবাইকচালকদের হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় জরিমানা করা হয়। যাঁদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে, তাঁদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে মিছিলটি শহরের রেলগেট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলক চত্বরে এসে শেষ হয়।

বক্তারা বলেন, ‘ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকায় শিক্ষার্থীরা বাসে অর্ধেক ভাড়া দিতে পারবে। কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু ঢাকার বাইরের শিক্ষার্থীরা কি বড়লোক? তারা কেন বাসে অর্ধেক ভাড়া দিতে পারবে না? সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অর্ধেক ভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি মানতে হবে। আমাদের এই দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা ধারাবাহিকভাবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাব। কারণ, ২০১৮ সালেও আমরা রাজপথে আন্দোলন করেছিলাম। আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা পরে বাস্তবায়ন করা হয়নি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন