বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মূলত পোশাক কারখানার কাঁচামাল, লোহার কুচি, কাচ, তুলা ও পার্সেল বহনকারী ট্রাকগুলো লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। তবে পচনশীল দ্রব্যের ট্রাকসহ যাত্রীবাহী বাস, অ্যাম্বুলেন্স বিনা বাধায় ফেরিতে উঠতে পারছে।

ট্রাকচালক আবদুল গফুর বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার যশোরের বেনাপোল থেকে রাত ৮টার দিকে তিনি গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় পৌঁছেছেন। এর পর থেকেই তিনি ফেরিতে ওঠার অপেক্ষায় আছেন। এখানে খাওয়াদাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। কখন গাড়ি নিয়ে ফেরিতে উঠবেন, সেটিরও কোনো ঠিক নেই।

আরেক ট্রাকচালক রাকিব হাসান বিরক্তি নিয়ে বলেন, ‘এখানে প্রাকৃতিক কাজকর্ম করার কোনো ব্যবস্থা নেই। রাত দেড়টায় এখানে এসেছি। সকালে গাড়ি ভাড়া করে অনেক দূরে ঘাট এলাকায় গিয়ে পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করে এসেছি। এখানে চালকদের জন্য কোনো কিছুর ব্যবস্থাই নেই।’

default-image

এ সময় অপেক্ষমাণ আরও কয়েকজন ট্রাকচালকের সঙ্গে কথা হলে সবাই খাওয়াদাওয়া ও শৌচাগারের ব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ জানান। প্রতি এক-দেড় কিলোমিটারের মধ্যে পাবলিক টয়লেট ও খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান তাঁরা।

রাজবাড়ী ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক তারক চন্দ্র পাল বলেন, দুর্ঘটনায় উল্টে যাওয়া ফেরি এখনো সরানো যায়নি। আরেকটি ফেরি বিকল হয়ে আছে। সব মিলিয়ে ফেরির সংখ্যা এখন কম। এ জন্য যানবাহন পারাপারে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সময় লাগছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন