বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম ইয়াজদানী প্রথম আলোকে বলেন, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। কিন্তু তাঁর আরও কিছু শারীরিক জটিলতা আছে। তাঁর ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত। পাকস্থলিতে ক্যানসার ছিল। সেটার অস্ত্রোপচার হয়েছে। কেমোথেরাপিও শেষ। তাঁর অবস্থার উন্নতি হলেও এখানে পরিবারের কোনো সদস্য নেই। তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিবিড় পরিচর্যায় থাকা দরকার। এ জন্যই তাঁকে হাসপাতাল থেকে তাঁরা বিমানবন্দরে পাঠান। সেখান থেকে তাঁকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় পাঠানো হয়।

শামীম ইয়াজদানী আরও বলেন, হাসপাতালে ভর্তির সময় তাঁর শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। রক্তচাপের (বিপি) পরিমাপ পাওয়া যাচ্ছিল না। সে জন্য আইসিইউ প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। অধ্যাপক খলিলুর রহমানকে প্রধান করে ৯ চিকিৎসককে নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল।

রাজশাহী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ২০২২-এর বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত ‘সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ’ মনোনীত প্যানেলের পরিচিতি সভায় আজ বেলা সাড়ে ১১টায় কামরুল ইসলামের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। এ জন্যই তিনি গতকাল মঙ্গলবার রাজশাহীতে আসেন। তাঁর অসুস্থতার খবর শুনে তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন