পুলিশ সূত্র জানায়, গত রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এলাকা থেকে সনিকে একদল যুবক তুলে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। সনি রাজশাহী পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম ওরফে পাখির ছোট ছেলে। সনি এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। তার বাড়ি নগরের বোয়ালিয়া থানার দড়িখরবোনা এলাকায়। এ ঘটনায় রোববার রাতেই নিহত কিশোরের বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেছেন।

পুলিশ ও নিহত কিশোরের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার ছিল সনির জন্মদিন। জন্মদিনে এসে তার এক বন্ধু পড়ে গিয়ে আঘাত পান। রাতে সনি তার ওই বন্ধুকে দেখতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যায়। এ সময় কিছু যুবক হাসপাতাল থেকে তাকে তুলে নিয়ে যান। তাঁরা সনিকে হেতেম খাঁ সবজিপাড়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে রাস্তার পাশে নালায় ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় চিকিৎসকেরা সনিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার বিকেলে সনির লাশ কাঁধে নিয়ে রাস্তা অবরোধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে এলাকাবাসী। এ কর্মসূচি থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানানো হয়।

নিহত সনির বাবা রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর জানামতে তাঁর ছেলের কোনো শত্রু ছিল না। কিন্তু কেন তাঁর ছেলেকে খুন করা হলো, তিনিও মেলাতে পারছেন না। তিনি তাঁর ছেলে হত্যার বিচার চান।

নগরের বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁদের ধারণা। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের দ্রুতই গ্রেপ্তার করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন