বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বক্তারা বলেন, সারা বিশ্বে যখন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন জোরালো হচ্ছে। প্রকৃতি বাঁচানোর জন্য পর্যাপ্ত সবুজায়ন করা হচ্ছে। করোনা মহামারির ঠিক সেই মুহূর্তে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গাছ কেটে পাখিগুলোকে হত্যা করা হয়েছে। এটা অমানবিক একটি কাজ। এভাবে যদি প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করার উৎসবে সবাই মেতে ওঠে, তবে নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবিও করেন তাঁরা।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে নালা নির্মাণ ও গাড়ি রাখার চত্বর তৈরি করার জন্য কর্তৃপক্ষ বন বিভাগের মাধ্যমে ২৭টি গাছ কাটে। ৪ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের সামনে নালা নির্মাণের জন্য একটি অর্জুনগাছ কাটা হয়। এতে গাছ থেকে পড়ে যায় শামুকখোল পাখির শতাধিক ছানা। বেশির ভাগ ছানা সঙ্গে সঙ্গে মারা যায়। যেগুলো বেঁচে ছিল, সেগুলো মাংস খাওয়ার জন্য জবাই করে নিয়ে যান নির্মাণশ্রমিক ও রোগীর স্বজনেরা।

এ খবর গণমাধ্যমে আসার পরে ফুঁসে ওঠেন পরিবেশবাদীরা। ৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। এরই ধারাবাহিকতায় আজ হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হলো।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন