নিহতরা হলেন পুঠিয়া উপজেলার ভালুকগাছি ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মুনসুর রহমানের ছেলে শামসুজ্জামান সুমন (৩৫) এবং চারঘাট উপজেলা সদরের থানাপাড়া গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (৪৫)। শামসুজ্জামান ওই লেগুনার চালক এবং রাশেদুল লেগুনার যাত্রী ছিলেন।

লেগুনার চালক শামসুজ্জামানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী থেকে মালবোঝাই একটি ট্রাক নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে যাত্রীবাহী একটি লেগুনা নাটোর থেকে বানেশ্বর যাচ্ছিল। পথে নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া এলাকায় দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনার সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে গেছে। স্থানীয় মানুষ, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এর মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় লেগুনার যাত্রী রাশেদুলকে পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। লেগুনার চালক শামসুজ্জামানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ বক্সের কনস্টেবল মো. নাসিম রেজা বলেন, বিকেল পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত পুঠিয়ার দুর্ঘটনায় আহত মোয়াজ্জেম (৪৫), তুষার (২৬), রাসেল (২৩), সাগর (২৫) ও ফেরদৌসী নামের পাঁচজন সেখানে ভর্তি হয়েছেন। তাঁরা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের অবস্থা গুরুতর বলে জানান তিনি।

পবা হাইওয়ে পুলিশের (শিবপুর থানা) ওসি মোফাকারুল ইসলাম বলেন, আহত অন্তত ১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ট্রাকচালক ও চালকের সহকারী পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন