বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, এই কমিটির সদস্যরা গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তাঁরা হাসপাতালের পরিচালক স্বাক্ষরিত ৩৭টি গাছ নিলাম বিক্রির জন্য দরপত্রের কপি দেখেছেন। পরিদর্শনকালে তাঁরা হাসপাতালের গ্যারেজ ও ড্রেনের নির্মাণকাজ চলমান পেয়েছেন। তাঁরা নির্মাণশ্রমিক মো. শান্ত হোসেন, মো. মন্টু মিয়া, মো. সাগর ও রবিউল হকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা বলেছেন, ঘটনার দিন একটি কড়ই ও একটি অর্জুনগাছ কাটা হয়। এ দুটি গাছের পাখির বাসাগুলো গাছের সঙ্গে পড়ে যায়। ডালপালার আঘাতে ৬০ থেকে ৮০টি পাখির বাচ্চা পড়ে যায়। কিছু মারা যায়, কিছু নির্মাণশ্রমিক ও বহিরাগত মানুষ নিয়ে যান। কমিটি দায়িত্বরত আনসার সদস্য মাসুদ সাহাদাৎ ও বিল্লাল হোসেনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তবে তাঁরা বলেছেন, তাঁরা ঘটনার সময় ছিলেন না। পরে তাঁরা অন্য মাধ্যমে গাছকাটা ও পাখির বাচ্চা মারা যাওয়ার বিষয়টি জেনেছেন।

কমিটি কী সুপারিশ করেছে, জানতে চাইলে কমিটির আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা যা দেখেছেন, প্রতিবেদনে তা–ই বলেছেন। কোনো সুপারিশ করেননি।

বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোল্যা রেজাউল করিম বলেন, তিনি তদন্ত প্রতিবেদনের কপি হাতে পেয়েছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি তা প্রধান বন সংরক্ষকের কাছে পাঠিয়ে দেবেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পক্ষ থেকে বন্য প্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বাদী হয়ে রাজশাহী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেছেন। বন্য প্রাণী হত্যা করে আবাসস্থল ধ্বংসের আনুমানিক ক্ষতি এক কোটি টাকা এবং পরিবেশের আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ দুই কোটি টাকা উল্লেখ করা হয়। আদালতের নির্দেশে রাজশাহী নগরের রাজপাড়া থানা মামলাটি তদন্ত করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন