বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার নগরীর কুমারপাড়ার ঘোষপাড়া মহল্লায় নিজ বাড়িতে খুন হয়েছেন এই শিক্ষিকা। মায়া রানী ঘোষের বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। রাজশাহী নগরের মন্নুজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন তিনি। অবসর নিয়েছেন ২০১০ সালে। ছিলেন অবিবাহিত, তাই বাড়িতে থাকতেন একা। তাঁর একজন পালিত মেয়ে রয়েছেন। একই মহল্লায় থাকেন। তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এসে দেখেন বাসার দরজা বাইরে থেকে লাগানো। ভেতরে ঢুকে দেখেন পড়ে রয়েছে মায়ের লাশ।

পুতুল ঘোষ বাড়ির ভেতরে ঢুকে মাকে ডেকে পাননি। বাড়ির একটি অংশে আগে ভাড়াটিয়া ছিল, এখন নেই। পুতুল দেখেন, ভাড়াটিয়ার ওই ফাঁকা ঘরের মেঝেতে তাঁর মায়ের লাশ পড়ে রয়েছে।

পালিত মেয়ে পুতুল ঘোষের (২৮) বরাত দিয়ে নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন জানান, পুতুল ঘোষ বাড়ির ভেতরে ঢুকে মাকে ডেকে পাননি। বাড়ির একটি অংশে আগে ভাড়াটিয়া ছিল, এখন নেই। পুতুল দেখেন, ভাড়াটিয়ার ওই ফাঁকা ঘরের মেঝেতে তাঁর মায়ের লাশ পড়ে রয়েছে। ওসি জানান, তাঁরা ধারণা করছেন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে। কারণ, সকালে বৃদ্ধ গৃহকর্মী হেনা ঘোষ বাড়িতে এসে মায়া রানীকে চা বানিয়ে দিয়ে যান। পরে প্রতিবেশী এক নারী এসে দুধ দিয়ে যান। এরপর বাড়িতে তিনি একাই ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুতুল ঘোষ বাড়িতে এসে মায়া রানীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর থানায় খবর দেন। এরপর পুলিশ যায়। ওসি জানান, স্বর্ণালংকার ছাড়াও মায়া রানীর মুঠোফোনটি পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে হত্যার পর এসব নিয়ে গেছে খুনিরা।

সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের পর মায়া রানীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে। পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার কাজ শুরু করেছে। এ নিয়ে থানায় হত্যা মামলা হবে বলে জানান ওসি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন