বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নেপালের প্রতিনিধিদলটি পরে গোদাগাড়ীর আমতলী ও সরমংলা খাল পরিদর্শন করে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এ খালে পদ্মা নদী থেকে মাটির উপরিভাগে পানি সরবরাহ করা হয়। সরমংলা খালের পাড়ে তাঁরা এসব বিষয়ে বিএমডিএ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বিএমডিএর চেয়ারম্যান বেগম আখতার জাহানের সভাপতিত্বে সভায় বিএমডিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বরেন্দ্র অঞ্চলের সেচ ব্যবস্থাপনার সার্বিক দিক নেপালের প্রতিনিধিদলের কাছে বুঝিয়ে দেন।

এ সময় নেপালের জ্বালানি, পানিসম্পদ ও সেচ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেবেন্দ্র কারকি, জাতীয় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সুরেন্দ্র লাভ কর্ণ, জলসম্পদ ও সেচ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুশীল চন্দ্র আচার্য, নেপালের যান্ত্রিক সেচ উদ্ভাবন প্রকল্পের পরিচালক দীপেন্দ্র লৌদারি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব দিল বাহাদুর ছেত্রী, পবিত্র গাইরে প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া এডিবির বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর পুষ্কর শ্রীবাস্তব, ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কর্মকর্তা আলমগীর আকন্দ, জলসম্পদ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ল’হোস্টিস, নেপালের রেসিডেন্ট মিশনের সিনিয়র প্রকল্প কর্মকর্তা অরুণ রানা, এডিবির কনসালট্যান্ট আশীষ ভদ্র খল ও পরামর্শক আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

default-image

বিএমডিএর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কাশেম জানান, প্রতিনিধিদল বিএমডিএর কার্যালয় ঘুরে দেখে এবং বিএমডিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক শেষে বিকেল চারটার দিকে তাঁরা রাজশাহী ত্যাগ করেন।

প্রকৌশলী আবুল কাশেম বলেন, নেপালের মন্ত্রী বিএমডিএর সেচব্যবস্থা দেখে পছন্দ করেছেন। বিএমডিএ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সরকার থেকে কোনো বেতন নেয় না। নিজের ব্যবস্থাপনায় চলে, এটা জেনে বিষয়টিকে ‘আনকমন’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, নেপালেও বরেন্দ্র অঞ্চলের মতো মাটি আছে। এ রকম একটি প্রকল্প তাঁদের পাইপলাইনে আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন