বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুল লতিফ এই ইউপিতে ২০০৩ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, তৃতীয় ধাপে ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় ইউপি নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষে মোহনপুর সদরে নিজের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর কাছে ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে অকথ্য ভাষায় তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। কলদাতা একপর্যায়ে বলেন, ‘আমি ২৯টি খুন করেছি। গতকাল তোকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিলাম। অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিস। তুই এলাকায় ঢুকলে তোকে খুন করা হবে।’ আবদুল লতিফ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জীবনের নিরাপত্তা চান।

কলদাতা বলেন, ‘আমি ২৯টি খুন করেছি। গতকাল তোকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিলাম। অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিস। তুই এলাকায় ঢুকলে তোকে খুন করা হবে।’

আবদুল লতিফ বলেন, তিনি আওয়ামী লীগ করলেও সে রকম কোনো পদে নেই। এ কারণে তিনি নৌকার জন্য আবেদনও করেননি। সুষ্ঠু ভোট হলে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মুঠোফোনে হুমকি পাওয়ার পর রাতেই আবদুল লতিফ তাঁকে জানিয়েছিলেন। পরে আজ দুপুরে এসে তিনি থানায় জিডি করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহনপুর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন মোট ছয়জন। ১২ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হবে। ২৮ নভেম্বর ভোট গ্রহণ হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন