বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর পর্যন্ত নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন পাঁচজন। আর জমা দিয়েছেন দুজন। দুপুরে রাসেল জামান ছাদখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে হাত নাড়াতে নাড়াতে নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। উচ্চ শব্দে হর্ন বাজাতে বাজাতে নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছান তিনি। এ সময় তাঁর গাড়িবহরে শতাধিক মোটরসাইকেল ছিল। পরে রাসেল জামান সাত থেকে আটজন কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আহমেদ আলীর কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় রাসেলসহ কারও মুখেই মাস্ক দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে রাসেল জামান প্রথম আলোকে বলেন, ভালোবেসে কেউ যদি তাঁর সঙ্গে যায়, তাহলে তিনি কীভাবে থামাবেন। মুখে মাস্ক না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ছবি তোলার জন্য অনেকেই হয়তো মাস্ক খুলেছিল। যেমন সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় আমাকেও মাস্ক খুলতে হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে মাস্ক খোলাকে কেউ কি স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ বলবেন?’
এ বিষয়ে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আহমেদ আলী বলেন, প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল কিংবা সংগ্রহ করার সময় মহড়া দিতে পারবেন না। মহড়া দিলে আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে। তিনি তাঁর কার্যালয়ের ভেতরে ছিলেন। তাই কেউ মহড়া দিয়েছেন কি না, তা তাঁর জানা নেই।

নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাসেল জামান ছাড়াও এ কে এম রাশেদুল হাসান, রাকিব হোসেন, শামিমুর রহমান ও সাহেব হোসেন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। যাচাই-বাছাই করা হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। আগামী ৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ভোট গ্রহণ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন