বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভরত মণ্ডল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার রানিনগর থানার চকরাজাপুর পশ্চিম কলোনি গ্রামের তারপদ মণ্ডলের ছেলে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিজিবির রাজশাহীর ১০ নম্বর পদ্মার চর সীমান্ত ফাঁড়ির আওতাধীন ১৫৯/২ এস সীমান্ত পিলারের কাছে ভরত মণ্ডলের লাশ হস্তান্তর করা হয়। লাশ শনাক্ত করার জন্য ভরতের দুই ভাই উপস্থিত ছিলেন। ভারতের পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর লাশ গ্রহণ করে। এপার থেকে বিজিবি, রাজশাহীর নৌ পুলিশ, কাটাখালী থানা–পুলিশ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা গিয়েছিলেন লাশ হস্তান্তর করতে। বিজিবির রাজশাহীর ১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাব্বির আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ২ অক্টোবর দিবাগত রাতে ১০০ বোতল ফেনসিডিল নিয়ে সীমান্ত পার হয়ে এসেছিলেন ভরত। তারপর ১০ নম্বর পদ্মার চর সীমান্ত ফাঁড়ির আওতাধীন খয়ের বাগান এলাকায় তিনি বিজিবির হাতে ধরা পড়েন। রাত দুইটার দিকে বিজিবি সদস্যরা তাঁকে ধরে নৌকায় করে আসছিলেন। তখন হাতকড়া পরা অবস্থায় পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন ভরত।

এতে পানিতে ডুবে তাঁর মৃত্যু হয়। পরের দিন ভোরে ত্রিমোহনী এলাকায় তাঁর লাশ পাওয়া যায়। দুপুরে সেখানেই একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে তাঁর লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) হিমঘরে রাখা হয়েছিল। এর আগে রামেকের মর্গে লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়। এ নিয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করে বিজিবি।

বিজিবির রাজশাহীর ১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাব্বির আহমেদ বলেন, নিয়ম অনুযায়ী বিজিবির আওতাধীন যেকোনো এলাকা দিয়ে দুদেশের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে লাশ হস্তান্তর করা যায়। বিজিবি আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং দুদেশের মধ্যে যোগাযোগের ব্যবস্থা করেছিল। লাশ হস্তান্তরের মূল কাজটি করেছে বাংলাদেশের পুলিশ। ভারতের পুলিশ লাশ গ্রহণ করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন