বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব জিল্লার রহমান, শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কুদ্দুস, সদস্যসচিব আহসান হাবিব, ছত্রাজিতপুর আলাবক্স ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষিপণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুনজুর আলম প্রমুখ।

গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত শিল্প মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব পেটেন্ট, ডিজাইন অ্যান্ড ট্রেডমার্কস তাদের ‘দ্য জিওগ্রাফিক্যাল আইডেনটিফিকেশনের’ (জিআই) ১০ নম্বর জার্নালে ফজলিকে রাজশাহীর আম হিসেবে উল্লেখ করে। এর আগে ২০১৭ সালের ৯ মার্চ রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্র থেকে এই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়েছিল।

জার্নাল প্রকাশের পর রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলীম উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেছিলেন, রাজশাহীর ৯টি উপজেলাতেই ফজলি আমের চাষ হয়। এর মধ্যে বাঘা উপজেলার ফজলি আম খুবই পরিচিত। ২০০ বছর আগে কলকাতার বাজারে ফজলি আম বাঘা ফজলি হিসেবে পরিচিত ছিল। জিআই পণ্যের জন্য আবেদন করার সময় এই ইতিহাস তুলে ধরা হয়। তাই ফজলি রাজশাহীর আম, এটি আর অস্বীকার করার উপায় নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন