বিজ্ঞাপন

এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে মানুষ যাতে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারেন, এ কারণে সর্বাত্মক লকডাউন বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে।

আজ শুক্রবার সকাল থেকেই রাস্তায় যান চলাচল ছিল। নগরের সাহেববাজার এলাকায় অটোরিকশার জটও ছিল। শুক্রবার সাধারণত এ ধরনের ভিড় থাকে না। সবচেয়ে ভিড় ছিল নগরের মাস্টারপাড়া কাঁচাবাজারে। সেখানে লোকজন কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে কাঁচাবাজার থেকে মালামাল কিনেছেন। সাহেবাজারের মুদিদোকান, মাংসের দোকানেও ভিড় ছিল।

মাস্টারপাড়া বাজার থেকে কাঁচাবাজার কিনে যাচ্ছিলেন রাহেলা আক্তার। তিনি নগরের টিকাপাড়া এলাকা থেকে এসেছিলেন। তিনি বলেন, ‘গত রাতে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকায় ঘোষণা দেওয়া হয়েছে শুক্রবার দুপুরের পর লকডাউন শুরু হবে। আগামী সাত দিন ঘর থেকেও বের হওয়া যাবে না। তাই আগামী কয়েক দিনের বাজার করে নিলাম।’

সাহেববাজার এলাকার কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী জনি ইসলাম বলেন, আজ সকাল থেকেই মানুষ বেশি বেশি কিনছেন। তাঁদের বলা হচ্ছে, লকডাউনেও কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। কিন্তু তাঁরা বেশি বেশিই সবকিছু কিনছেন।

নগরের কুমারপাড়া এলাকায় একটি সেলুনের সামনে বেশ ভিড় দেখা গেছে। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজন বলেন, আগামী এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে। এটি শুধু এক সপ্তাহ না। এটা আরও বাড়তে পারে। তাই তাঁরা চুল-দাড়ি কামাতে এসেছেন।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, লকডাউনের খবর শুনে লোকজন একটু বেশি কেনাকাটা করছেন। এ কারণে নগরে সকাল থেকেই অন্যদিনের চেয়ে বেশি ভিড়। তবে বিকেল পাঁচটার আগেই তাঁরা মাঠে নামবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন