পিজিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় বিভাগ) দেবদীপ বড়ুয়া বলেন, ঈদের সময় শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে। সিএনজি স্টেশনেও চাপ কম থাকবে। সে ক্ষেত্রে গ্যাসের ব্যবহারও কম হবে। সব দিক বিবেচনা করে ওই সময়ে জিটিসিএলের সঞ্চালন লাইনে কারিগরি কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনাসহ ওই অঞ্চলে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এদিকে ঈদের সময় গ্যাস সরবরাহ বন্ধের ঘোষণায় ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন উত্তরাঞ্চলের লাখো গ্রাহক। তাঁরা বলছেন, ঈদুল ফিতরে আত্মীয়স্বজনকে নিমন্ত্রণ জানানো হয়। নানা ধরনের ঘরোয়া রান্নার আয়োজন করা হয়ে থাকে। এ সময় টানা ৪৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকলে ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার গৃহিণী রোকেয়া রহমান বলেন, ‘ঈদের দিনে নানা পদের বাড়তি রান্নার আয়োজন থাকে। এ সময়ে বাসায় আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনের চাপ থাকে। চুলায় রান্না না চড়লে খাওয়াব কী, আর নিজেরা খাব কী?’

শহরের মালতীনগরের বাসিন্দা রাকিবুল হক বলেন, সঞ্চালন লাইনে কারিগরি কাজ করার দরকার হলে, তা ঈদের আগে বা পরে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার পর্যন্ত করা যেত। গ্রাহকদের বিড়ম্বনায় ফেলতেই ঈদের দিনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন