default-image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে খুলে দিতে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করে শিক্ষার্থীরা এ সময়সীমা বেঁধে দেন। দাবি আদায় না হলে কাল সোমবার বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।

হল খুলে দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবিতে আজ সকালে ওই সমাবেশ ও মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বেলা ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছন দিক থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় ‘এক দফা এক দাবি, হল-ক্যাম্পাস খোলা চাই’, ‘ভ্যাকসিন লাগলে ভ্যাকসিন দাও, তবু ক্যাম্পাস খুলে দাও’, ‘লাঠি মার ভাঙরে তালা, হলের ওই বন্দিশালা’, বলে স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।

সমাবেশ চলাকালে দেওয়া বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা বলেন, দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সব শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অটোপাস দিয়ে পরবর্তী ক্লাসে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছে সরকার। বেসরকারি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরও কার্যক্রম চলছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এখন পর্যন্ত সরকার কিছু ভাবছে না। সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য দীর্ঘদিন শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু এভাবে আর সরকার তাঁদের ঘরে বন্দী রাখতে পারবে না।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, করোনার অজুহাতে শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখছে সরকার। এতে তাঁদের একাডেমিক বর্ষ দীর্ঘ হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক শিক্ষার্থীরা এসে মেসে অবস্থান করছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মেসে থাকা শিক্ষার্থীদের স্থানীয় ব্যক্তিরা নির্যাতন করছেন। রাজশাহীতে এমন ঘটনা তাঁরা চান না। তাই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত আবাসিক হল খুলে দেওয়ার দাবি তাঁদের।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর লুৎফর রহমান বলেন, আপাতত সরকারিভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সিদ্ধান্তের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা সম্ভব হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন