বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ইমরুল নিজের শোবার ঘরের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। আজ শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন ঘরের দরজা ভেঙে তাঁর লাশ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দাফনের অনুমতি দেয়।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক বলেন, কয়েক দিন আগে ইমরুল তাঁর মায়ের কাছে মোটরসাইকেল ও ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনে দিতে বলেন। এ নিয়ে তাঁর মা বকাঝকা করলে ইমরুল অভিমান করে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ইমরুলের মা-বাবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মুসতাক আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি সকালেই জেনেছি। আমি বিভাগের পক্ষ থেকে পরিবারটির জন্য শোক ও সমবেদনা জানাই।’ তিনি আরও বলেন, করোনার সময়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষক ও পরিবার সবার সঙ্গেই যোগাযোগ কমে গিয়েছে। এখন বিভাগের পক্ষ থেকেও পরিবারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া প্রয়োজন।

ইমরুলের সহপাঠীরা জানিয়েছেন, ইমরুলের দাবির মুখে তাঁর মা-বাবা মোটরসাইকেল কিনে দেন। কিন্তু ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে ইমরুলের মা তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এরই মধ্যে কাউকে কিছু না বলে আত্মহত্যা করলেন। ইমরুল মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইমরুলের টাইমলাইনে কয়েক দিন ধরে হতাশা আর আত্মহত্যা নিয়ে পোস্ট করতে দেখা যায়।

পুলিশের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। বাড়িতে থাকতে থাকতে হয়তো ইমরুল মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সেই অসুস্থতা থেকেই তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন