বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক অরুণ কুমার বসাক বলেন, ‘বেগম রোকেয়া না থাকলে আজকে এই হলটিও হতো না, এখানে থাকা ভদ্রমহিলারাও হয়তো থাকতেন না। রানি রাসমণি ও বেগম রোকেয়ার অনেক মিল রয়েছে। রাসমণির প্রায় ৭৫ বছর পর বেগম রোকেয়া জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অনেক অসমাপ্ত কাজ করেছেন। তিনি পর্দার ভুল ব্যাখ্যা মানেননি। আমাদের দেশে দেশমাতৃকা, মাতৃভাষা ও গর্ভধারিণী মা—তিনটিই খুব অবহেলিত। এ ক্ষেত্রে সমাজ, ধর্ম, কিংবা দর্শনের কোনো শিক্ষাই ঠিকমতো চলছে না।’

অরুণ কুমার বসাক আরও বলেন, ‘লোভ বর্তমানে সর্বগ্রাসী হয়ে উঠেছে। একে আমি, যাকে বলে, ‘শয়তান’ হিসেবে চিহ্নিত করেছি। আমাদের সবাইকে লোভ থেকে বিরত থাকতে হবে। এটি আমাদের সব গুণ নষ্ট করে দিচ্ছে।’

বিশিষ্ট রবীন্দ্র গবেষক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক সনৎকুমার সাহা বলেন, ‘রোকেয়ার অবদান ও সংগ্রাম কেবল স্মরণীয় নয়, অনুকরণীয়। তাঁর দানে বাংলা ভাষা ও বাংলার নারীরা উপকৃত হয়েছেন। বাংলা সাহিত্যের মধ্যেও রোকেয়ার গদ্য সর্বাগ্রে গণ্য। বিদ্যাসাগর ও রোকেয়ার প্রতি সব বাঙালি কৃতজ্ঞ। তাঁর নামের মর্যাদা রাখতে চাইলে তাঁর লক্ষ্য ও কাজকে স্মরণ করতে হবে।’

default-image

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার প্রতি বেগম রোকেয়ার প্রবল আগ্রহ ছিল। বিশেষ করে তাঁরা দুই বোন—বেগম রোকেয়া ও করিমুন্নেছার। বেগম রোকেয়া অনেক রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নারীশিক্ষার পথ প্রদর্শন করে গেছেন। এই ম্যুরালের মাধ্যমে যাঁরা এখানে রোকেয়া হলে আসবেন, তাঁরা তাঁর ব্যাপারে জানতে পারবেন। এমন মনীষীদের স্মরণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।’
রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোবাররা সিদ্দিকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সহ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বক্তব্য দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন