বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রমে ফেরার আন্দোলনে নেমেছিলেন একদল শিক্ষার্থী। তাঁদের একজন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদ সাকি। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বিভাগ বাদ নেই, যেখানে সশরীর পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। এই অবস্থায় অন্তত যাঁরা টিকা নিয়েছেন, তাঁদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, একাডেমিক কাউন্সিলে সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় খোলা ও বন্ধের বিষয়গুলো থাকে। এই সভা আহ্বান করা হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। সভায় বিশ্ববিদ্যালয় খোলার তারিখ নির্ধারণ করা হবে। তবে খোলার আগে কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।

আগামী ৪, ৫ ও ৬ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে। ৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। এরপর আসছে পূজার ছুটি। আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত পূজার ছুটি থাকছে। পরের দুই দিন ১৫ ও ১৬ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার। সব মিলিয়ে কর্তৃপক্ষ মনে করছে, ১৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার একটি সম্ভাব্য তারিখ হতে পারে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলা ও বন্ধের বিষয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় নির্ধারণ করা হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর এই সভা আহ্বান করা হয়েছে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস নেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। আশা করা যায়, পূজার ছুটির পরেই বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন