বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৪৮৩ জন। মেয়েরা পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ৯৭ হাজার ৪৮৪ জন এবং ছেলেরা ১ লাখ ৮ হাজার ৮৩০ জন। মেয়েদের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ৪৬ আর ছেলেদের হার ৯৪ দশমিক ০৪।

জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ হাজার ৭০৯ জন। এর মধ্যে মেয়ে ১৪ হাজার ৭৩৯ জন আর ছেলে ১২ হাজার ৯৭০ জন। ২০২০ সালে ছেলেদের চেয়ে ১ হাজার ৭৫ জন মেয়ে জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছিল। মেয়েদের পাসের হার বেশি ছিল ২ দশমিক ০৮। ২০১৯ সালেও ছেলেদের চেয়ে ৫৭৭ জন মেয়ে জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছিল। ২০১৮ সালে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে ছেলেরা বেশি ছিল কিন্তু তখনো পাসের হারে মেয়েরা এগিয়েছিল।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এবার অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের দ্বিগুণেরও বেশি। গত বছর অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৪ আর এবার ২ হাজার ৪৮৩ জন। এর মধ্যে মেয়েদের অনুপস্থিতি ছেলেদের দ্বিগুণ। ১ হাজার ৭৬৪ জন মেয়ে পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল আর ছেলে অনুপস্থিত ছিল ৭১৯ জন।

পরীক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণেই এমনটি হয়েছে বলে তাঁরা ধারণা করছেন। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো জরিপের তথ্য নেই।

এবার কলেজশিক্ষক সামছুল হকের ছেলে মোহাম্মদ রাগীব রাহাত রাজশাহী নগরের শিরোইল সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করেছে। ফলাফলে মেয়েদের এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সামছুল হক বলেন, ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ঘরে বেশি থাকে। এ জন্য মেয়েরা ভালো করছে বলে তাঁর ধারণা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন