বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত সাড়ে সাতটার দিকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে উপজেলা সদরের পশ্চিম রাজৈর এলাকার রবিউল মোল্লাকে (২৫) মারধর করেন মজুমদারকান্দি এলাকার জনি মুনশি (২৩) ও তাঁর লোকজন। রবিউলকে মারধরের বিষয়টি দুই এলাকার কিশোর–তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করেন হামলাকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাদিকসহ আটজন পুলিশ সদস্য ও উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হন। পরে পুলিশ ১২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে জড়িত সবার বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাদিক প্রথম আলোকে বলেন, কিশোরদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাঁদের নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে তাঁরা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এতে তিনিসহ দুজন পরিদর্শক, দুজন উপপরিদর্শক ও চারজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ ১২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ওসি জানান, পুলিশ ছাড়াও কিশোরদের দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর একজনকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি বলেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেননি। আজ রোববার বেলা তিনটা পর্যন্ত কোনো মামলাও হয়নি। পুলিশ বাদী হয়ে মামলার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন