বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাসেলের চাচাতো ভাই সরাফত আলী জানান, গতকাল শনিবার রাত নয়টার দিকে পাশের বাড়ির আবু বক্কর মণ্ডলের ছেলে ইমরান মণ্ডল রাসেলকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর গভীর রাতেও রাসেল ফিরে না আসায় বাড়ির লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। এ সময় তাঁর মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে সোমবার সকালে বিলাইঘাটা এলাকায় লবলং খালের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর জানতে পারেন তাঁরা। পরিবারের লোকজন সেখানে গিয়ে মরদেহটি রাসেলের বলে শনাক্ত করেন।

সিংদিঘী গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাসেলের এক আত্মীয় জানান, আবু বক্কর মণ্ডলের সঙ্গে রাসেল ও তাঁর পরিবারের জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। এ ঘটনার সঙ্গে পারিবারিক বিরোধিতার একটি সম্পর্ক থাকতে পারে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ইমাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটা হত্যাকাণ্ড। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে এখনো আটক করা যায়নি, তবে চেষ্টা চলছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন