বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজমল হোসেন চান্দাইকোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন। গত বুধবার রাতে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চান্দাইকোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে উপস্থিত হন আজমল হোসেন। এ সময় তিনি তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর সমর্থনে নৌকার পক্ষে কাজ করে যাবেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল হান্নান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।

* শিবগঞ্জের বিহার ও মাঝিহট্ট ইউনিয়নে ১১টি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর হয়েছে। * কিচক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও জাপার সমর্থকদের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হন।

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাঁর (আজমল) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা: এদিকে নির্বাচন ঘিরে এরই মধ্যে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চারটি ইউনিয়নে পৃথক চারটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে নির্বাচনী কার্যালয়। এসব ঘটনায় নৌকার প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

বুধবার রাতে বিহার ও মাঝিহট্ট ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা এবং অন্তত ১১টি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। বিহার ইউপিতে প্রতীক বরাদ্দের পরই নৌকার সমর্থকেরা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মতিউর রহমানের নির্বাচনী কার্যালয় ও কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করেন। রাত আটটার দিকে ইউনিয়নের বিহারবন্দর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় নির্বাচনী কার্যালয়ের পাশাপাশি আটটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ করা হয়। পরে বুধবার রাতেই মতিউর রহমান বাদী হয়ে নৌকার ১৪ কর্মীকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। এ ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম।

১৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কর্মীদের সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এরপর দলটির প্রার্থী মহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে নির্বাচনী শোভাযাত্রায় হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

এদিকে উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত দুই প্রার্থীর কর্মীরা একজোট হয়ে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১০টি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত আটটার দিকে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। হামলার প্রতিবাদে রাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থী এসকেন্দার আলীর (অটোরিকশা) সমর্থকেরা মাঝিহট্ট বাজারে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে নৌকার প্রার্থী আবদুল গফুর মুঠোফোনে জানান, অটোরিকশার কর্মীরাই উসকানিমূলকভাবে ইউনিয়নের ভাড়াহার ও ভাঞ্জিরা এলাকায় নৌকার কার্যালয়ে হামলা চালান। এতে তাঁর কর্মীরাও পাল্টা হামলা করেন।

২৬ অক্টোবর কিচক ইউনিয়নের সোনারপাড়ায় নৌকার প্রার্থী এ বি এম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও জাতীয় পার্টির (জাপা) জামিরুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হন। এ ঘটনায় দুই প্রার্থীর পক্ষ থেকে থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়া বুধবার পীরব ইউনিয়নের খয়রাপুকুর বাজারেও প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন