বিজ্ঞাপন

বাল্যবিবাহটি বন্ধ করতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তৎপরতা চালিয়েছেন স্থানীয় সমাজকর্মী ও নারী উদ্যোক্তা সাহিদা আক্তার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত ১০টার পর একটি মণ্ডপে বিয়ের আয়োজন করা হচ্ছিল। কনের বয়স মাত্র ১৩ বছর। স্থানীয় বেশ কয়েকটি সূত্রে তিনি খবর পেয়ে তা জানিয়ে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দপ্তরে। একই সঙ্গে বিষয়টি অবহিত করেন শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার ইমাম হোসেনকে। পরে ইউএনওর প্রতিনিধি ও থানার একজন উপপরিদর্শককে (এসআই) নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান।

নারী উদ্যোক্তা সাহিদা আক্তার বলেন, তাঁদের উপস্থিতি টের পেয়ে কনের অভিভাবক সবাই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। এমনকি এ সময় বরের লোকজনের আসার কথা থাকলেও তাঁরা আসেননি। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর কনের মা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে বোঝানোর পর কনের পরিবার বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় বেশ কয়েকটি সূত্রে তিনি জেনেছেন, ওই শিশুকে ভোররাতে শেষ পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুর রাজ্জাক আজ সকালে কনের মায়ের বরাতে প্রথম আলোকে বলেন, কনের মা বলেছেন যে তাঁরা হতদরিদ্র। মেয়েকে রাস্তাঘাটে প্রায়ই ইভ টিজিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে। তাই মেয়ের সুরক্ষায় বিয়ের আয়োজন করেছিলেন। এসআই জানান, রাতে সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর কনের মা মুচলেকা দিয়ে বিয়ে বন্ধ করতে রাজি হয়েছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন