বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজা সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার সকাল ছয়টা থেকে রোববার সকাল ছয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩২ হাজার ৭১৩টি যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ১২–১৩ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। এর আগে শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে শনিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত ৩৩ হাজার ৯১২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে শুক্র ও শনিবার বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। থেমে থেমে চলতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মহাসড়কে কাটাতে হয় যাত্রীদের। রোববার সকাল থেকে যানবাহনের চাপ কমতে থাকে। সেই সঙ্গে কেটে যেতে থাকে যানজট। বেলা ১১টার মধ্যে মহাসড়ক যানজটমুক্ত হয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

দুপুর ১২টায় মহাসড়কের টাঙ্গাইল শহর বাইপাস মোড় থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম যানবাহন রাস্তায়। তাই ফাঁকা রাস্তায় দ্রুতগতিতে ছুটে চলছে যানবাহনগুলো। কোথাও থামতে হচ্ছে না। তবে সেতু এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, টোল প্লাজা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার যানবাহনের সারি রয়েছে। সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, টোল দিতে গিয়ে যানবাহনের এই লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। তবে খুব বেশি সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না।

এলেঙ্গা সিএনজি স্টেশনে ঢাকা থেকে বগুড়াগামী মাইক্রোবাসের যাত্রী হাবিবুর রহমান জানান, ঢাকা থেকে তিন ঘণ্টার কম সময়ে এলেঙ্গা পর্যন্ত চলে এসেছেন। কোথাও যানজটে পড়তে হয়নি। অন্যবার ঈদের আগে বাড়ি ফিরতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মহাসড়কে যানজটে আটকে থাকতে হতো। রাজশাহীগামী বাসের চালক সেলিম মিয়া জানান, রোববার সকাল থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ নেই।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত জানান, সিরাজগঞ্জের দিকে গাড়ি টানতে পারলে যানজট হবে না বলে আশা করা যাচ্ছে। তবে রোববার রাত থেকে আবার গাড়ির চাপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন