default-image

বগুড়ার শেরপুরে একটি আঞ্চলিক সড়কে মুখে মুখোশ পরে অন্তত ২০টি গাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গাড়ির চালকে হাত বেঁধে মারধরসহ লুট করা হয়েছে নগদ টাকা। অন্তত ৮ থেকে ১০ জনের দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ডাকাতি করে।

গতকাল সোমবার রাতে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির চালক ও মালিকেরা শেরপুর থানায় এ অভিযোগ দিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে দেওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর-রানীরহাট আঞ্চলিক সড়কের ফয়েজমারা সেতুর কাছে সড়কে গাছ ফেলে রেখে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ২০টি গাড়ির মধ্যে বেশির ভাগই ছিল ইজিবাইক। ডাকাতেরা চালকদের মারধর করে টাকা নিয়ে হেঁটে রানীরহাটের দিকে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা বলেন, ডাকাত দলের সদস্যদের বয়স ৩৫–এর কাছাকাছি। সবার পরনে ছিল লুঙ্গি। মুখে ছিল মুখোশ। হাতে ছিল দা ও লোহার রড। ডাকাতির সময় গাড়ির চালক ও যাত্রীদের হত্যার ভয় দেখিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়।

থানায় অভিযোগ দেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আলহাজ উদ্দিন (৪৫) নামের এক ইজিবাইকচালক বলেন, তাঁর বাড়ি উপজেলার রনবিবালা গ্রামে। আঞ্চলিক সড়ক ধরে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। ডাকাতির সময় দলের সদস্যরা স্থানীয় আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে। তাদের মধ্যে একজনকে ‘কালু’ নাম ধরে ডাকতে শোনা যায়। ডাকাতেরা তাঁর হাত বেঁধে ৬৭০ টাকা লুট করে।

বিজ্ঞাপন

ডাকাতির শিকার ধান ব্যবসায়ী দুলাল হোসেনের বাড়ি উপজেলার ধড়মোকাম নামাপাড়া গ্রামে। তিনি বলেন, ডাকাতেরা তাঁর কাছে থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে ডাকাতি চলে। ডাকাতেরা চলে যাওয়ার পর সড়কে পুলিশের টহল গাড়ি দেখতে পান তিনি।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন