বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইল সদরের ইমারত হোসেনের মেয়ে সুমাইয়া (১২) ও এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

হামিদ বলেন, ১০–১১ বছর আগে খুলনার পাইকগাছা থেকে সাভারে পরিবার নিয়ে এসেছিলেন তিনি। তখন ঝালমুড়ি বিক্রি করে তিনি সংসার চালাতেন। এক থেকে দেড় বছর পর মেয়ে সাথী আক্তার কাজ নেয় রানা প্লাজায়। এরপর মেয়ের লাশ নিয়ে বাড়িতে ফিরতে হয় হামিদকে। ঢাকায় আর আসবেন না—এমন সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের। তবে বছরখানেক আগে হামিদের সঙ্গে অভিমান করে আশুলিয়ায় ভাইয়ের বাসায় চলে আসেন স্ত্রী শাহানারা বেগম। কিছুদিন পর হামিদও চলে আসেন। ঝালমুড়ি বিক্রেতা হামিদ স্ত্রীকে কোথাও কাজ করতে দিতে চাননি। শাহানারার জেদের কাছে হার মানেন তিনি। মাত্র দুই মাস হলো শাহানারার কাজ যোগ দিয়েছেন। স্বামী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন শাহানারা।

কারখানায় কর্মরত একাধিক শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ৯০ জন শ্রমিক কাজ করতেন কারখানাটিতে। এর মধ্যে বেশ কিছু শিশু শ্রমিকও ছিল।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, কারখানাটির কোনো অনুমোদন নেই। গুদাম হিসেবে ব্যবহারের কথা থাকলেও বিভিন্ন রাসায়নিক রাখাসহ জুতার কারখানা হিসেবে এটি চালানো হচ্ছিল। এখানে কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়ার কথা থাকলেও সেটি নেওয়া ছিল না।

আজ ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার প্রথম আলোকে বলেন, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো জানা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। মালিকপক্ষের কাউকে এখনো পাওয়া যায়নি।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। ময়নাতদন্তের জন্য তিনজনের মরদেহ রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন