বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে শাহজাহান আলী লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ও তাঁর কর্মী-সমর্থকেরা একডালা ইউনিয়নের শিয়ালা গ্রাম এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে আবাদপুকুর চারমাথা দিয়ে গুয়াতা গ্রামে প্রচারণার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী রুহুল আমিন ও তাঁর ৪০-৫০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী তাঁদের পথরোধ করে রড, লাঠি, হাঁসুয়া, ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তাঁর ৮-১০ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। হামলায় তাঁর কর্মী-সমর্থকদের ৩-৪টি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

শাহজাহান আলীর অভিযোগ, এর আগে তাঁর নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গ্রামে এবং রাস্তাঘাটে নৌকা মার্কার সাঁটানো পোস্টার রুহুল আমিন ও তাঁর লোকজন রাতের অন্ধকারে ছিঁড়ে ফেলেছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে থাকা নৌকার কর্মী-সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ২ নভেম্বর রুহুল আমিন ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী পরিকল্পিতভাবে হামলা করে গণমাধ্যমকর্মীদের মিথ্যা ও কাল্পনিক তথ্য দিয়ে উল্টো তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। ওই সংবাদগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

সংবাদ সম্মেলনে একডালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সহসভাপতি মোজাম্মেল হক ও আজিজার রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও হাফিজার রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলামসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রুহুল আমিন বলেন, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর নির্বাচনী প্রচারণা শেষে তিনি কর্মীদের নিয়ে আবাদপুকুর চারমাথা মোড়ে ব্যক্তিগত অফিসে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে শাহজাহান ও তাঁর লোকজন তাঁদের ওপর লাঠি–সোটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে তাঁর বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হওয়ার পাশাপাশি তাঁদের ১৪টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়েছে।

পরাজয় নিশ্চিত জেনে নিজের অপরাধকে আড়াল করতে শাহজাহান আলী এসব মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বলে রুহুল আমিন দাবি করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন