বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাংসদ শফিকুল ইসলাম দাবি করেন, শিক্ষকের করা জিডি পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়নি। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে শিক্ষক সুজিত সরকার মিথ্যা তথ্য প্রচার করে তাঁকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করেছেন এবং তাঁর সুনাম নষ্ট করেছেন। সাংসদ তাঁর লিখিত অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।

সাংসদের লিখিত অভিযোগটি বোয়ালিয়া থানার ডিউটি অফিসার নুর ইসলাম গ্রহণ করেন এবং এর অনুলিপি সাংসদকে সরবরাহ করেন। লিখিত অভিযোগের সঙ্গে একটি পেনড্রাইভে শিক্ষক সুজিত সরকারের সাক্ষাৎকার, প্রকাশিত সংবাদ, সাংসদের বিরুদ্ধে করা জিডির দুই পাতা ফটোকপি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি দাখিল করা হয়।

সাংসদ শফিকুল ইসলাম আজ সোমবার দুপুরে বলেন, শিক্ষক সুজিত সরকারের মিথ্যা জিডি ও তাঁর সাক্ষাৎকার প্রচারের মাধ্যমে তাঁর (সাংসদ) ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে প্রতিকারযোগ্য।

বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে এ ব্যাপারে জানার জন্য আজ দুপুরে বারবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠন নিয়ে ২৪ জুলাই সাংসদ শফিকুল ইসলামের অনুসারী নেতারা এক সংবাদ সম্মেলনে নবগঠিত স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটির সভাপতিকে ‘রাজাকারের ছেলে’ বলে দাবি করেন। এ বক্তব্য নিয়ে ২৭ জুলাই পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন নবগঠিত কমিটির নেতারা। তাঁরা দাবি করেন, সাংসদ শফিকুল ইসলামের বাবা হাসান আলী সরকার রাজাকার ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সুজিত সরকারের লেখা একটি বইয়ের ৬০০ নম্বর পৃষ্ঠার ২১ নম্বর ক্রমিকে রাজাকারের তালিকায় তাঁর নাম আছে বলে দাবি করেন।

২৯ জুলাই জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এক সংবাদ সম্মেলন করে বলে, সাংসদের বাবা হাসান আলী সরকার রাজাকার ছিলেন না। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের বন্ধু ছিলেন। এমন অবস্থার মধ্যে বইটির লেখক সুজিত সরকার বোয়ালিয়া থানায় সাংসদ শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জিডি করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন