বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগে ২০১৫ সালের ২৪ অক্টোবর যুগান্তরসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইনের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের হয়। মামলাটি করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক কাজী জাহিদুর রহমান।

২০১৫ সালে করা ওই মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ওই সময়ে অধ্যাপক কাজী জাহিদুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষক ছিলেন। সে সময় তাঁর বিরুদ্ধে ‘হলের সিট দিতে রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ’ শিরোনামে ওই সব পত্রিকা ও অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে বাদীকে জড়িয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে খবর প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে তথা দেশ-বিদেশে বাদীর ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগে ২০১৫ সালের ২৪ অক্টোবর যুগান্তরসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইনের বিরুদ্ধে মামলা করেন রাবি শিক্ষক কাজী জাহিদুর রহমান।

এই মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদকসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মতিহার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিন। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ মামলায় ১৭ দিন কারাগারেও ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী ও বর্তমানে যুগান্তরের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মানিক রাইহান।

যুগান্তর সম্পাদক ছাড়া অব্যাহতি পাওয়া অন্যরা হলেন যুগান্তরের রাবি প্রতিনিধি ও তখনকার ২৪ বিডিটাইমস ডটকম-এর প্রতিনিধি মানিক রাইহান, রাজশাহীর স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক লিয়াকত আলী, যুগান্তরের তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হাসান আদিব, ক্যাম্পাস লাইভের প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম এবং এর সম্পাদক আজাহার মাহমুদ, অর্থসূচকের সম্পাদক জিয়াউর রহমান। ওই আসামিদের মধ্যে মানিক রাইহানও এই মামলায় কিছু দিন কারাগারে ছিলেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী তানভীর আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আজ চার্জ শুনানির দিন ধার্য ছিল। তিনি যুগান্তর সম্পাদকসহ পাঁচজনের পক্ষে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। অন্য তিনজনের পক্ষে আরেকজন আইনজীবী আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালত আবেদন ও মামলার তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে সব আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন