অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেন শিক্ষক বেলায়েত হোসেন। তিনি বলেন, আশপাশের এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ নেই। তাই এলাকার লোকজন বিদ্যালয়ে এসে মুঠোফোনে চার্জ দেন। তিনি বিদ্যালয়ে মুঠোফোন চার্জ দিতে বাধা দেন বলে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, স্কুল ছুটির পর বাসায় এলে বিদ্যালয়ের আরেক সহকারী শিক্ষক বিষয়টি তাঁকে মুঠোফোনে জানান। এ ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিলে ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাবে না বলে জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, এ ব্যাপারে এখনো তিনি জানেন না। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবেন।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুজ্জজামান প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন