বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি পৃথক গ্রামে শুক্রবার দুপুরে বাল্যবিবাহের আয়োজন চলছিল। তাদের একজনের বয়স ১৫, অন্যজনের ১৬ বছর। খবর পেয়ে ইউএনও তাৎক্ষণিক ছুটে গিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করেন। প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়েদের বিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা দেওয়ায় তাঁদের প্রাথমিক ক্ষমার পাশাপাশি সতর্ক করে দিয়েছে প্রশাসন।

বাগেরহাট জেলা শিক্ষা অফিসের হিসাব অনুযায়ী করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের দেড় বছরে জেলার মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তিন হাজারের বেশি মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে।

ইউএনও মো. কবীর হোসেন বলেন, বাল্যবিবাহ শূন্যের কোঠায় রাখতে প্রশাসন কাজ করছে। বাল্যবিবাহের সঙ্গে যাঁরা সম্পৃক্ত, তাঁদের কেউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ছাড়া বাল্যবিবাহ রোধে দুই-এক দিনের মধ্যে উপজেলার কাজিদের নিয়ে বসা হবে, যাতে আর একটিও বাল্যবিবাহের ঘটনা এখানে না ঘটে। যদি কোনো কাজির বাল্যবিবাহ পড়ানোর খবর পাওয়া যায়, তাঁর বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন