default-image

দুপুরের খাওয়া শেষে বাবার কাছে বাইরে যাওয়ার অনুমতি চায় শিশুটি। বাবা বলেছিলেন, রাস্তায় যেও না। তবু রাস্তায় গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে যায় শিশুটি। এরপরই যাত্রীবাহী একটি বাস চাপা দেয় তাকে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে শিশুটি।

আজ বৃহস্পতিবার এ দুর্ঘটনা ঘটেছে মাগুরা জেলা শহরে। নিহত শিশুর নাম মো. বরকতুল্লাহ (৬)। সে জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার নূরে আলম সিদ্দিকীর ছেলে। তাদের বাড়ি জেলা শহরের ভায়না এলাকায়। বরকতুল্লাহ মাগুরা ২ নম্বর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুশ্রেণিতে পড়ত।

নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘দুপুরে আমরা একসঙ্গে খেয়েছি। খাওয়া শেষে ছেলেটি বলল, “বাবা একটু বাইরে যাই?” আমি বললাম, “রাস্তার দিকে যেও না।” এরপর শুনলাম, ছেলেটি আর নেই।’

দুপুরে আমরা একসঙ্গে খেয়েছি। খাওয়া শেষে ছেলেটি বলল, “বাবা একটু বাইরে যাই?” আমি বললাম, “রাস্তার দিকে যেও না।” এরপর শুনলাম, ছেলেটি আর নেই।
নূরে আলম সিদ্দিকী, শিশুটির বাবা
বিজ্ঞাপন

বাহারুল ইসলাম নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বেলা আড়াইটার দিকে জেলা মৎস্য কার্যালয়ের সামনে রাস্তা পার হচ্ছিল শিশুটি। হঠাৎ সে হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়। এ সময় যশোরের দিক থেকে আসা ঢাকামুখী একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষিত পাল বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলেই সে মারা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যক্তিরা।

জানতে চাইলে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। খবর নিয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ট্রাফিক পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বাবুল হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে গিয়ে দেখি স্থানীয় ব্যক্তিরা বাসটি আটকে রেখেছেন। বাসের চালক বা সহকারী কাউকে পাওয়া যায়নি।’

মন্তব্য পড়ুন 0