রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসচাপায় দাদি-নাতি নিহত

বিজ্ঞাপন
default-image

রাস্তা পার হওয়ার জন্য বৃদ্ধ দাদি ধরেছিলেন কিশোর নাতির হাত। ফাঁকা রাস্তার মধ্যে পৌঁছাতেই তাঁদের চাপা দেয় দ্রুতগামী একটি যাত্রীবাহী বাস। ঘটনাস্থলেই মারা যান দাদি ও তাঁর সঙ্গে থাকা নাতি। আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের মোগলাবাজার থানা এলাকার পারাইরচক নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন বিবিজান (৬৫) ও রাহাত মিয়া (১১)। তাঁরা সিলেটের দক্ষিণ সুরমার দাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা। রাহাত আহমদ আলীর ছেলে। দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার(গণমাধ্যম) জ্যোতির্ময় সরকার প্রথম আলোকে বলেন, লাশ উদ্ধার করে দুজনের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। দুজন সম্পর্কে দাদি–নাতি। ঘটনাস্থলে বাসটি রেখে চালক পালিয়েছেন। পুলিশ বাসটি (ঢাকা মেট্রো-জ ০৪-০১৯৩) জব্দ করেছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বিবিজান তাঁর নাতিকে নিয়ে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের মোগলবাজার থানা এলাকার ময়লা রাখার স্থান থেকে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। রাস্তা ফাঁকা পেয়ে দাদি তাঁর নাতিকে নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। রাস্তার মধ্যে যেতেই দ্রুতগামী একটি বাস দুজনকে চাপা দেয়। এ সময় যাত্রীরা বাসে থেকে চিৎকার করায় চালক বাসটি সড়কের একপাশে রেখে পালিয়ে যান। ওই বাসের যাত্রী ও স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানার একদল পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে। বাসটি সিলেট থেকে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া যাচ্ছিল।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাসে থাকা একজন যাত্রী প্রথম আলোকে বলেন, ফাঁকা সড়ক দিয়ে দ্রুত বাসটি কুলাউড়া যাচ্ছিল। যেখানে দুজনকে চাপা দেয়, সেই স্থানের বিপরীত দিক থেকেও কোনো যানবাহন ছিল না। এ অবস্থায় বাসটি দ্রুত চালানোয় এ ঘটনাটি ঘটে। যাত্রীদের তোপের মুখে পড়ায় চালক বাস থামিয়ে লাপাত্তা হন।

মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছাহাবুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাসটি জব্দ করার পর চালকের সন্ধান করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন