বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৭ সালের ১১ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। ব্যয় ধরা হয় ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। বাংলাদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ও চায়না প্রতিষ্ঠান র‍্যাঙ্কিন যৌথভাবে নির্মাণকাজ করছে।

default-image

অনুমোদনের প্রায় দেড় বছর পর ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলার পাইলিং কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২২ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

নির্মাণকাজের কারণে নগরের বিমানবন্দর সড়ক ও শেখ মুজিব সড়কের বিভিন্ন অংশ বেহাল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি জমে সড়কগুলোতে ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এ নিয়ে গত ৭ আগস্ট ‘টিকছে না সড়ক, কষ্টে চলাচল’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়।

সিটি করপোরেশনের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বর্ষার কারণে সড়কগুলো পিচঢালাই করা যাচ্ছে না। তবে দুর্ভোগ এড়াতে সাময়িক সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে। বৃষ্টি শেষ হলে আগামী অক্টোবর থেকে পিচঢালাইয়ের কাজ শুরু হবে।

প্রথমে নগরের পতেঙ্গা প্রান্তে কাজ শুরু হয়েছিল। এরপর পর্যায়ক্রমে সিমেন্ট ক্রসিং, ইপিজেড, সল্টগোলা ও বারিক বিল্ডিং থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত অংশে কাজ শুরু করে সিডিএ। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যে সড়কের এসব অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হতে থাকে।

চট্টগ্রাম নগরের বিমানবন্দর সড়ক, শেখ মুজিব সড়ক ও সিডিএ অ্যাভিনিউয়ের ওপর দিয়ে নির্মিত হচ্ছে লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। এখনো সিডিএ অ্যাভিনিউ অংশে কাজ শুরু হয়নি। বাকি দুটি সড়কের ওপর কাজ চলছে। নির্মাণকাজের কারণে দুটি সড়কের অধিকাংশ জায়গায় কার্পেটিং (পিচঢালাই) উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দের। এসব খানাখন্দে জমে থাকে পানি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন