বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১১ নভেম্বর ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে পড়ে থাকা অবস্থায় একটি বস্তা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে খবর দেন। বস্তাভর্তি ব্যালট পেপার দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বস্তাভর্তি ব্যালট পেপার উদ্ধার করে।

ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পরাজিত প্রার্থী শহীদুল ইসলাম রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর পুনরায় ভোট গণনার দাবি জানিয়ে লিখিত আবেদন করেন।

ভোটের দিন ঘোষিত ফলাফলে ওই ওয়ার্ডে ভ্যানগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী জহুরুল ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। জহুরুল ইসলাম ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ৯২টি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মোরগ প্রতীকের প্রার্থী শহীদুল ইসলাম পেয়েছেন ৭১১ ভোট। ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পরাজিত প্রার্থী শহীদুল ইসলাম রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর পুনরায় ভোট গণনার দাবি জানিয়ে লিখিত আবেদন করেন।

পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের দাবি, উদ্ধার হওয়া ব্যালট পেপারের বেশির ভাগই মোরগ প্রতীকের। পরে ওই প্রার্থী ও তাঁর কর্মী-সমর্থকেরা পুনরায় ভোট গণনার দাবিতে দুপুরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের চান্দাইকোনা এলাকায় অবরোধ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন। এ সময় পরাজিত প্রার্থী শহীদুল ইসলাম ও তাঁর দুজন কর্মীকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের তিনজনকে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম। ব্যালট পেপার উদ্ধারের ব্যাপারে তিনি বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

চান্দাইকোনা ইউপির রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তারিকুল আলম আজ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করে ফেরার সময় প্রিসাইডিং কর্মকর্তার হেফাজত থেকে একটি বস্তা খোয়া যায়। এ বিষয়ে ওই দিন রাতেই থানায় জিডি করা হয়েছিল। সম্ভবত ওই বস্তাটিই পাওয়া গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন