বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পাড়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহ আলমের সঙ্গে সাবেক সদস্য ফজলুল হকের ছেলে শাহ আলমের বিরোধ চলছে। এই বিরোধের জেরে প্রায়ই দুই পক্ষের সমর্থকেরা টেঁটা, বল্লম ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় পাড়াতলী ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই দুই পক্ষ দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর হয়ে মাঠে আছে। ইউপি সদস্য শাহ আলম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদুর রহমানের সমর্থক। অন্যদিকে ফজলুল হকের ছেলে শাহ আলম আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ফেরদৌস কামালের সমর্থক।


পাড়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ইউপি নির্বাচন ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুজন নিহতের ঘটনায় দুই পরিবারের পক্ষ থেকে দুটি মামলা করা হয়েছে। ওই সংঘর্ষের ঘটনার জেরে কাচারিকান্দি গ্রামের পরিস্থিতি এখনো থমথমে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা বলছেন, বৃহস্পতিবার ভোরে পাড়াতলীর কাচারিকান্দিতে সংঘর্ষের ঘটনা নতুন কিছু নয়। চলতি বছরের ১৭ ও ১৮ মে একই এলাকায় দুদিন ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজন নিহত ও কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন। এরপর থেকেই ইউপি সদস্য শাহ আলম পক্ষের লোকজন এলাকাছাড়া। ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁরা ওইদিন ভোরে এলাকায় ফিরে আসার সময় দুই পক্ষের লোকজন টেঁটা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুজন নিহত এবং টেঁটা ও গুলিবিদ্ধ হয়ে নারীসহ নয়জন আহত হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন