বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই ইউপিতে তৃতীয় ধাপে গত ২৮ নভেম্বর ভোট গ্রহণ হয়। দলের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় ১৬ নভেম্বর রশিদ মোল্লাকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। সোহানুর ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আবু সালেহ মিন্টু ফরায়েজির পক্ষে কাজ করেন। তিনি নির্বাচনে জয়ী হন।

সোহানুর রহমান বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে আমি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছি। এ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রশিদ মোল্লা, তাঁর ছেলে মনির হোসেন মোল্লা ও দিদার হোসেন মোল্লা ক্ষিপ্ত ছিলেন। তাঁদের নির্দেশে ৮-১০ জনের একটি দল আমার ওপর হামলা চালায়। তাদের মারধরে অচেতন হয়ে পড়েছিলাম। আমার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে জখমের চিহ্ন রয়েছে।’

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দিদার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘কে বা কারা সোহানুর রহমানকে মেরেছেন, আমরা তা জানি না। আমাদের কোনো লোক এ কাজে জড়িত নন।’

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন